কোষ্ঠকাঠিন্য বেশ সাধারণ একটি সমস্যা। অনিয়মিত বা অসম্পূর্ণ মলত্যাগের কারণে পেট ফাঁপা, গ্যাস ও পেট ভারী লাগার মতো অস্বস্তি হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
হজমের অস্বস্তির পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে পেট ফাঁপা, ক্লান্তি এবং মলত্যাগে অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। নিয়মিত মলত্যাগ ও হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় কিছু আঁশসমৃদ্ধ খাবার রাখা যেতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি খাবার হলো—
কাঁচা পেঁপে
কাঁচা পেঁপেতে প্যাপেইন নামের একটি এনজাইম ও খাদ্যআঁশ রয়েছে। এগুলো হজমপ্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে। খাদ্যআঁশ মল নরম ও অন্ত্রের স্বাভাবিক চলাচলে সহায়তা করে, ফলে মলত্যাগ সহজ হতে পারে।
ভেজানো কিশমিশ
ভেজানো কিশমিশে খাদ্যআঁশ ও সরবিটল থাকে। সরবিটল অন্ত্রে পানি টেনে এনে মল নরম করতে সহায়তা করতে পারে। ফলে নিয়মিত মলত্যাগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
শুকনো আলুবোখারা
শুকনো আলুবোখারা বা প্রুনে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয়—দুই ধরনের খাদ্যআঁশই রয়েছে। অদ্রবণীয় আঁশ মলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে, আর দ্রবণীয় আঁশ অন্ত্রে মল চলাচলে সহায়তা করে। এ কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এটি খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
খাদ্যাভ্যাসে ছোট কিছু পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে বা তীব্র পেটব্যথা, রক্তপাত কিংবা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!