যুক্তরাষ্ট্র   শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চায় ১৮ প্রতিষ্ঠান

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৯ AM

১৪
ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চায় ১৮ প্রতিষ্ঠান

ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ভারতের মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রপ্তানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে ইলিশের সরবরাহ ও চাহিদার পরিস্থিতি জানতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বুধবার এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়টিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রপ্তানির অনুমতি চাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ; চট্টগ্রামের জেমস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস; যশোরের লাকি এন্টারপ্রাইজ, এমইউসি ফুডস, মোহতাব অ্যান্ড সন্স ও জনতা ফিশ; ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, ম্যাজেস্টিক এন্টারপ্রাইজ ও বিডিএস করপোরেশন; বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ, এআর এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ; ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ; এবং সাতক্ষীরার এমএ এন্টারপ্রাইজ ও সুমন ট্রেডার্স।

এবার স্বল্প সময়ের পরিবর্তে অন্তত দুই মাস, সম্ভব হলে সারা বছর ইলিশ রপ্তানির সুযোগ চেয়েছেন রপ্তানিকারকেরা। তাঁদের দাবি, ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খোলা, ইলিশ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং শেষ করা কঠিন।

ভারতের আমদানিকারকদের চিঠি

দুর্গাপূজা সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝির মধ্যে ইলিশ আমদানির অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনুমোদিত পরিমাণের তুলনায় ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে অনেক কম। ২০২৫ সালে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলেও রপ্তানি হয়েছে ৫৭৭ টন।

এর আগে ২০২১ সালে ৪ হাজার ৬০০ টন রপ্তানির অনুমতির বিপরীতে ভারতে গেছে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ। ২০২৩ সালে ৩ হাজার ৯৫০ টনের অনুমতি দেওয়া হলেও রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ৩০০ টন।

এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান বলেন, ভারতের মাছ ব্যবসায়ীদের চিঠির পর বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা আবেদন করেছেন। কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে, তা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!