নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের প্রথম আবাসিক হাইকমিশনার হিসেবে সামিনা নাজ দেশটির গভর্নর জেনারেল ডেম সিন্ডি কিরোর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনে গভর্নমেন্ট হাউসে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি পরিচয়পত্র পেশ করেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে গভর্নর জেনারেল ডেম সিন্ডি কিরো হাইকমিশনার সামিনা নাজকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। একই সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের প্রথম হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে অভিনন্দন জানান।
জবাবে হাইকমিশনার সামিনা নাজ উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে নিউজিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেলকে শুভেচ্ছা জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর স্থানীয় রীতি অনুযায়ী গভর্নর জেনারেলের অনুরোধে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে হাইকমিশনার সামিনা নাজ তাঁর স্বরচিত একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, কৃষি, শিক্ষা, ক্রীড়া, শিল্প ও সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হিসেবে পারস্পরিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ খোঁজার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এ ছাড়া উন্নয়ন, শান্তি, মানবাধিকার ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন হাইকমিশনার।
বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে। তবে নিউজিল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি আনতে বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালে দেশটিতে একটি কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
নিউজিল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশন একই সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়া ও টুভালুর সঙ্গেও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে দায়িত্ব পালন করছে।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!