যুক্তরাষ্ট্র   শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

গর্ভাবস্থায় ডিম খাওয়া কি নিরাপদ? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:০০ AM

গর্ভাবস্থায় ডিম খাওয়া কি নিরাপদ? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

গর্ভাবস্থায় খাবারের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। এ সময় অনেকেরই প্রশ্ন থাকে—ডিম খাওয়া যাবে কি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালোভাবে রান্না করা ডিম গর্ভবতী নারীদের জন্য শুধু নিরাপদই নয়, বরং এটি মা ও গর্ভের শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতেও সহায়ক।

ডিম উচ্চমানের প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে ভূমিকা রাখে। তবে কাঁচা বা আধসিদ্ধ ডিম এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এতে সালমোনেলার মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় গর্ভাবস্থায় ডিম খাওয়ার সঙ্গে শিশুর জন্মের ফলাফলের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষকেরা এক হাজারের বেশি মা ও শিশুর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখেছেন, ডিমের পরিমাণ ও ধরন শিশুর জন্ম ওজন, গর্ভকালীন বয়স এবং শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধির সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত।

গবেষণায় দেখা গেছে, পুরো ডিম খাওয়ার সঙ্গে কিছু ইতিবাচক সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে ডিমের চর্বি ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ভ্রূণের সুস্থ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দিনে কতটি ডিম খাওয়া যাবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ সুস্থ গর্ভবতী নারী সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে দিনে একটি ডিম খেতে পারেন। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী কেউ কেউ দিনে এক থেকে দুটি ডিমও খেতে পারেন।

ডিম খাওয়ার পরিমাণ নির্ভর করে একজন নারীর শারীরিক অবস্থা, প্রোটিনের প্রয়োজন, ওজন ও সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের ওপর। তাই ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

যেভাবে ডিম খাওয়া নিরাপদ
ডিম ভালোভাবে সিদ্ধ বা রান্না করে খেতে হবে।
কাঁচা ডিম দিয়ে তৈরি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
ডিম সংরক্ষণ ও রান্নার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই ডিম খেতে হবে।

গর্ভাবস্থায় সঠিকভাবে প্রস্তুত করা ডিম হতে পারে সহজলভ্য ও পুষ্টিকর একটি খাবার, যা মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য উপকারী।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!