জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিনের দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আবু সাঈদসহ অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদসহ সব শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাদের আত্মার শান্তি কামনায় মোনাজাত ও বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। আমরা একটি স্বৈরাচারী শাসনের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছি।”
জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হয়। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পেছনে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি কাজ করেছে।
তিনি বলেন, “আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত একদিনে হয় না। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে। জুলাই আন্দোলনের ক্ষেত্রেও একই বিষয় ঘটেছে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের পরিবার এবং আন্দোলনে আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
তিনি বলেন, যারা দেশের পরিবর্তনের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের পরিবারের পাশে থাকা এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আহসানুল আজিজ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খোরশেদ আলম, যুগ্মসচিব ড. মুস্তাফিজুর রহমান ও কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!