ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অভিষেক ম্যাচেই বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকারের সঙ্গে অধিনায়ক ইমরান তাহিরের ৫ উইকেটে সেন্ট লুসিয়া কিংস ১১৯ রানেই অলআউট হয়। পরে ৯ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জয় পেয়েছে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিক দলের স্পিনারদের সামনে শুরু থেকেই চাপে ছিল সেন্ট লুসিয়া। দলের হয়ে কামিল পুরান ৩৫ বলে ৪৩ ও ওবার পিয়েনার ২৮ বলে ৩৫ রান করলেও বাকিদের কেউ ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৮.৫ ওভারে ১১৯ রানেই অলআউট হয় সেন্ট লুসিয়া।
সেন্ট লুসিয়া ১৪ রানে টিম সেইফার্টকে হারানোর পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। তবে জন ক্যাম্পবেলকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভেঙে দেন মিরাজ। এরপর কামিল পুরান ও রোস্টন চেজকে আউট করে সেন্ট লুসিয়ার ব্যাটিংয়ে বড় ধাক্কা দেন ইমরান তাহির।
স্পিন সহায়ক উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে নিজের বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন মিরাজ। ক্যামল স্যাভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে সেন্ট লুসিয়ার ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দেন তিনি।
শেষ দিকে বাকি কাজটি করেন তাহির। ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন ৪৭ বছর বয়সী এই সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা। মিরাজও ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন।
১২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য শুরুটা খুব স্বস্তিদায়ক ছিল না গায়ানার। পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মিরাজ ৪ বলে ১ রান করে আউট হন। তবে গ্লেন ফিলিপস ও কুইন্টিন স্যাম্পসন দুজনেই ৩৭ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন।
শেষ পর্যন্ত ১৮.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ১২০ রান করে ম্যাচ জিতে নেয় গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা দলটির ৮ ম্যাচে পয়েন্ট হলো ১৪।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!