বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
মালয়েশিয়ার ৬৯তম জাতীয় দিবস ও মালয়েশিয়া দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত সহযোগিতায় রূপ দেওয়া সম্ভব।
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে মালয়েশিয়ার জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে আবদুল মঈন খান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৯ সালের মালয়েশিয়া সফর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের কথা উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। ভবিষ্যতে এই বাণিজ্য আরও বাড়ানোর পাশাপাশি মুক্ত বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, ডিজিটাল অবকাঠামো, বৈদ্যুতিক যান ও আধুনিক প্রযুক্তির মতো খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসনের ওপর গুরুত্ব
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
তিনি বলেন, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যাতে কোনো অসাধু চক্র প্রতারণা বা শোষণের শিকার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে মালয়েশিয়ার আরও গঠনমূলক ভূমিকা কামনা করেন আবদুল মঈন খান।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!