যুক্তরাষ্ট্র   মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ AM

৪৭
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে আগামী ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পরিকল্পনার কিছু বিষয় নিয়ে বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আগামী ১০ বছরে কীভাবে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে সাজানো হবে, সে পরিকল্পনা শিগগিরই সংসদ ও দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরবেন জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চায় সরকার।

ফুলবাড়িয়ার কয়লা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহার মুন্নীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। ফুলবাড়িয়ার কয়লাখনি বিশ্বের ভালো কয়লাখনিগুলোর একটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কয়লা উত্তোলন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হলে তা দেশের জন্য ইতিবাচক হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়লা উত্তোলনে ওপেন-পিট পদ্ধতি ব্যবহার করতে হলে ওই এলাকায় থাকা কিছু বসতবাড়ি ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সেটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘তাদের আয়-রোজগার যাতে বন্ধ না হয়, বরং সেই প্রকল্প গ্রহণ করলে সেই প্রকল্প থেকেও যাতে তারা কোনো না কোনোভাবে বেনিফিট পেতে পারে’, সে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হবে।

কয়লা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবেশের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য লিখিত আটটি প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল। আধা ঘণ্টার এই প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী চারটি লিখিত প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় ছয়টি সম্পূরক প্রশ্নেরও সরাসরি উত্তর দেন তিনি।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!