অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমাজের সব ক্ষেত্রে অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অটিজম নিয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত টেকসই জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, যাতে দেশগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দীর্ঘস্থায়ী সহায়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় পাওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের পার্শ্ববৈঠক হিসেবে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শামা ওবায়েদ। ‘অটিজমে বৈশ্বিক পদক্ষেপ ত্বরান্বিতকরণ: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে গ্লোবাল অটিজম অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অটিজম ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যাতে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণভাবে অংশ নিতে পারেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর যে, অটিজম ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কেবল সহায়তার প্রাপকই হবেন না, বরং শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক জীবন এবং সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হয়ে উঠবেন।’
জাতীয় সক্ষমতা ও বিনিয়োগে গুরুত্ব
‘গ্লোবাল অটিজম অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন’ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শামা ওবায়েদ জাতীয় ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং অটিজম অন্তর্ভুক্তি এগিয়ে নিতে প্রমাণভিত্তিক সমাধান প্রচারের ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের যথাযথ সহায়তা ও সুযোগ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় জনশক্তি উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অটিজম বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতিগুলোকে শক্তিশালী জাতীয় ব্যবস্থা ও সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের মাধ্যমে বাস্তবায়নে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কাতার, কাতার ফাউন্ডেশন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ এবং ‘অটিজম স্পিকস’ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!