চোট কাটিয়ে দলে ফিরে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েই গোল করলেন লামিন ইয়ামাল। তাঁর গোলেই বিশ্বকাপে স্পেনের আক্রমণভাগের জড়তা কাটে। পরে মিকেল ওয়ারজাবালের জোড়া গোল ও একটি আত্মঘাতী গোলে সৌদি আরবকে ৪–০ ব্যবধানে হারিয়েছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা।
রোববারের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে স্পেন। হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে থাকার পর প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পান ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল। ম্যাচের ১০ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করা স্পেন এদিন অনেক বেশি ধারালো ছিল। ২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। কর্নার থেকে পাওয়া আক্রমণে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। মাত্র তিন মিনিট পর আবারও গোল করে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন এই ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিলেন ওয়ারজাবাল। তবে তাঁর একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন। ম্যাচের ফল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধে ইয়ামাল ও ওয়ারজাবালকে তুলে নেন কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তে।
তবে তাতেও স্পেনের আক্রমণের গতি কমেনি। দ্বিতীয়ার্ধে কর্নার থেকে তৈরি হওয়া আরেকটি আক্রমণে সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-টামবাকতির আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪–০।
ম্যাচজুড়ে সৌদি আরব খুব বেশি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১–১ গোলে ড্র করা দলটি এদিন স্পেনের গতিময় ফুটবলের সামনে অসহায় ছিল।
এই জয়ে গ্রুপ ‘এইচ’-এর শীর্ষে উঠে গেছে স্পেন। প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে নকআউট পর্বের পথে বড় পদক্ষেপও রাখল তারা।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্পেনের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে। অন্যদিকে সৌদি আরব মুখোমুখি হবে কেপ ভার্দের। নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে সেই ম্যাচে জয়ের বিকল্প থাকবে না সৌদি আরবের সামনে।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!