যুক্তরাষ্ট্র   সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার ১০ কার্তিক ১৪৩৩

পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার, সরাসরি ট্রেন চালাতে বড় পরিকল্পনা সরকারের

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ AM

১০
পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার, সরাসরি ট্রেন চালাতে বড় পরিকল্পনা সরকারের

দেশের উত্তর সীমান্তের পঞ্চগড় থেকে দক্ষিণের পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্যে রেল যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রেলপথের দূরত্ব ও যাত্রার সময়ও কমবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় রয়েছে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন, শান্তাহার-বগুড়া লিংক, চট্টগ্রাম-দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথের উন্নয়ন। এসব প্রকল্পের পাশাপাশি ডুয়েলগেজ ও ব্রডগেজ রেলপথ সম্প্রসারণ, নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ, নিরাপত্তাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং যাত্রীসেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তি যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পগুলো সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পঞ্চগড়ের পাশাপাশি রাজশাহী, চিলাহাটি ও অন্যান্য ব্রডগেজ রুট থেকেও কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।

কমবে ১১২ কিলোমিটারের ঘুরপথ

বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের ট্রেনগুলো ঢাকামুখী যাত্রায় ঈশ্বরদী হয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক নির্মিত হলে এ ঘুরপথের প্রায় ১১২ কিলোমিটার কমে আসবে। এতে পঞ্চগড়, বুড়িমারী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও চিলাহাটিসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে যাত্রার সময় প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা কমতে পারে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, এতে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও গতি আসবে। কম খরচে ও কম সময়ে পণ্য পরিবহনের সুযোগ বাড়বে।

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প। এ প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যে ৯০১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন অধিগ্রহণ করা জমি রেলওয়েকে বুঝিয়ে দিয়েছে। সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠন করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

এ করিডোরের সঙ্গে শান্তাহার-বগুড়া রেল সংযোগ যুক্ত হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার ব্রডগেজ রেল যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চল থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালানোর প্রয়োজনীয় সংযোগ তৈরির পথও সহজ হবে।

পূর্বাঞ্চলের রেলপথেও পরিবর্তন

পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালাতে পশ্চিমাঞ্চলের পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলের রেলপথের সক্ষমতা বাড়ানোও জরুরি। এ জন্য চট্টগ্রাম-দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথকে ডুয়েলগেজ নেটওয়ার্কে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটারগেজ রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তরের প্রকল্প ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। ঠিকাদার ও পরামর্শক নিয়োগের কার্যক্রম শেষে মূল কাজ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আখাউড়া-লাকসাম ডাবল লাইন ডুয়েলগেজ প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশ ডুয়েলগেজে উন্নীত করা হলে পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্কের সক্ষমতা আরও বাড়বে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লাকসাম-চট্টগ্রাম মিটারগেজ ডাবল ট্র্যাককে ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাকে রূপান্তরের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। একইভাবে টঙ্গী-ভৈরববাজার-আখাউড়া মিটারগেজ ডাবল লাইনকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের জন্য ডিপিপি অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ ইতিমধ্যে ডুয়েলগেজ হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের ব্রডগেজ রেলপথের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করা গেলে সরাসরি ট্রেন চালানোর অবকাঠামোগত ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্ব কমানোর পরিকল্পনা

দেশের রেল যোগাযোগ আরও কার্যকর করতে ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন প্রকল্পকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেলপথের মাধ্যমে কুমিল্লাকে রাজধানীর শ্যামপুরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বাসসকে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে। যাত্রার সময়ও কমতে পারে প্রায় দুই ঘণ্টা।

তিনি জানান, প্রকল্পের অ্যালাইনমেন্ট চূড়ান্ত হয়েছে। খসড়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুমোদিত হয়েছে এবং চূড়ান্ত সমীক্ষা অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

পুরো কর্ড লাইন উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন কমবে। পাশাপাশি লেভেল ক্রসিং সীমিত রেখে ট্রেনের গতি ও নিরাপত্তা বাড়ানো সম্ভব হবে। চলতি অর্থবছরে জমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের জন্য ডিপিপি অনুমোদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া লালমনিরহাট-বগুড়া ও পার্বতীপুর-কাউনিয়া-রংপুরসহ বিভিন্ন রেলপথকে ডুয়েলগেজ বা ব্রডগেজে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। প্রথমে প্রধান রেলপথগুলো আধুনিকায়ন করে পরে শাখা রেলপথগুলোকে মূল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে রেলওয়ের।

নতুন ট্রেন ও কোচ সংগ্রহ

অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন ট্রেন চালু ও রেল পরিবহনের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও চলছে। গত ১০ আগস্ট ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন উদ্বোধন করা হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মহানগর এক্সপ্রেসের চলাচল কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২৬ অক্টোবর রাত আটটা থেকে ট্রেনটি ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলবে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এতে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহ প্রকল্পের আওতায় প্রথম চালানে ১৮টি কোচ দেশে এসেছে। এর মধ্যে ১২টি নতুন কোচ দিয়ে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে আন্তনগর ট্রেন চালুর প্রস্তুতি চলছে। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ট্রেনটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে দুটি আন্তনগর ট্রেন চালুর প্রস্তুতিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) অর্থায়নে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের ডিপিপি পুনর্গঠন করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ২০০টি মিটারগেজ কোচ, তিনটি রিলিফ ক্রেন ও আন্ডার-ফ্লোর হুইল লেদ মেশিন সংগ্রহের ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে।

নতুন প্রযুক্তির আন্ডার-ফ্লোর হুইল লেদ মেশিন চালু হলে ট্রেনের চাকা খুলে না ফেলেই প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ করা যাবে। এতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণের দক্ষতা বাড়বে।

এ ছাড়া ৩০টি মিটারগেজ ও ৪০টি ব্রডগেজসহ মোট ৭০টি লোকোমোটিভের রক্ষণাবেক্ষণে তিন বছর মেয়াদি সার্ভিস কন্ট্রাক্টের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী অর্থবছরে ৪৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ ও ২৬০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

রেলপথের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণে জোর

পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসনে ২ হাজার ২৮ কোটি ৫৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প গত ২৬ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজে দরপত্র কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি অকেজো ও অব্যবহৃত ২০ সেট ডেমু ট্রেন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রেলপথ নিরাপদ করতে ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর অংশের লেভেল ক্রসিংগুলো আন্ডারপাস বা ওভারপাসে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হালনাগাদ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে।

এ ছাড়া ঢাকা-টঙ্গী অংশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ক্রসিংয়ে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সতর্কীকরণ ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

স্টেশনে ও ট্রেনেও বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই

যাত্রীসেবায় ডিজিটাল সুবিধা বাড়ানোর অংশ হিসেবে কমলাপুর, বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার রেলস্টেশনে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) মাধ্যমে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই চালু হয়েছে।

অন্যদিকে পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস ও উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনেও স্টারলিংকের মাধ্যমে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু করা হয়েছে।

রেলওয়ের সম্পদের কার্যকর ব্যবহার ও সেবার পরিধি বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বানের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে রেলওয়ের জমিতে রোলিং স্টক উৎপাদন কারখানা স্থাপনে বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বাস্তবায়নই এখন বড় চ্যালেঞ্জ

পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একাধিক রেলপথ নির্মাণ ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করতে হবে। এ জন্য পশ্চিমাঞ্চলের ব্রডগেজ রেলপথ, পূর্বাঞ্চলের ডুয়েলগেজ নেটওয়ার্ক এবং নতুন করিডোরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জরুরি।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ এবং নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সেবার উন্নয়ন একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হবে। এসব উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে রেল যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন, পর্যটন ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য অর্জন নির্ভর করবে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় রেল সংযোগ সম্পন্ন হওয়ার ওপর।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!