যুক্তরাষ্ট্র   শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

চিকিৎসার অভাবে কেউ যেন দুর্ভোগে না পড়ে, নির্দেশনা সমাজকল্যাণমন্ত্রীর

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫১ AM

১১
চিকিৎসার অভাবে কেউ যেন দুর্ভোগে না পড়ে, নির্দেশনা সমাজকল্যাণমন্ত্রীর

চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে কোনো রোগী যেন সেবাবঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের সহায়তা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে স্ট্রোকে প্যারালাইজড রোগীদের মধ্যে সরকারি আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পাশাপাশি গুরুতর রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় স্ট্রোক রোগীদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, চলতি বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিভিন্ন ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে, যাতে নিম্নআয়ের মানুষ আরও বেশি সহায়তা পেতে পারেন।

অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রফিকুল বাসার লেবুসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে স্ট্রোকে আক্রান্ত ৪০০ প্যারালাইজড রোগীর জন্য বরাদ্দকৃত সহায়তার অংশ হিসেবে ১০০ জন রোগীর হাতে ৫০ হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান তুলে দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বড় অংশই নিম্নআয়ের মানুষ। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয় কমানোর বিষয়েও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি বলেন, রোগীরা যাতে সহজে ও মানসম্মত সেবা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এতে হাসপাতালের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!