যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বহুল আলোচিত Donald Trump চীন সফর শুরু করেছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ মে) তিনি China-এর উদ্দেশে রওনা দেন। সফরসূচি অনুযায়ী তিনি ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করবেন।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, এই সফরটি আগেই নির্ধারিত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও ইরানকে ঘিরে সামরিক পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার পরই সফরটি বাস্তবায়ন করা হলো।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি পুরোপুরি শেষ না হলেও এমন সময়ে ট্রাম্পের বেইজিং সফর কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চীন বিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা ও এশিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান কুর্ট ক্যাম্পবেল এক মন্তব্যে বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে এই সফর “অস্বাভাবিক হলেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ”।
বিশ্লেষকদের মতে, United States এবং চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে আস্থা সংকট এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু এই বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে।
সফরকালে ট্রাম্পের Xi Jinping-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!