শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের মানসম্মত বই-পুস্তক বিশ্ববাজারে রপ্তানিযোগ্য পণ্য হিসেবে বড় সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
শুক্রবার দুপুরে বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি আয়োজিত ‘সমাজ জাগরণে প্রকাশক ও বিক্রেতাদের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশে তুলনামূলক কম খরচে উন্নতমানের বই মুদ্রণের সক্ষমতা রয়েছে। এ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, “উন্নত বিশ্বে বইয়ের দাম অনেক বেশি। কিন্তু আমাদের কারিগরি দক্ষতা ও শ্রমবাজারের কারণে আমরা কম মূল্যে বিশ্বমানের বই সরবরাহ করতে পারি। এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বড় পুস্তক রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারে।”
এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
প্রকাশনা শিল্পকে একটি প্রাচীন ও সম্মানজনক পেশা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বই প্রকাশ ও বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সমাজের আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করেন। তাদের প্রকাশিত বইয়ের মাধ্যমেই একটি শিক্ষিত ও সচেতন জাতি গড়ে ওঠে।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!