যুক্তরাষ্ট্র   বৃহস্পতিবার ১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিমানবন্দরে ৯৪ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারসহ ৬ জন আটক

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৫৫ AM

বিমানবন্দরে ৯৪ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারসহ ৬ জন আটক

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে প্রায় ৫৯৭ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ ছয়জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৪০ টাকা।

এপিবিএন জানিয়েছে, বুধবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে বিমানবন্দরের সম্মুখের সরকারি খোলা পার্কিং এলাকার দক্ষিণ পাশ থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—মো. মনির হোসেন (৩২), কাজী মাসুদ (২৩), সাইদুল ইসলাম (২৬), ইলিয়াছ খাঁন (৩৩), সাব্বির মিয়া (২২) ও মো. কামাল হোসেন (৪৪)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোরে বিমানবন্দর এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় ওই ব্যক্তিদের নজরে আসে এপিবিএনের টহল দল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা একটি মাইক্রোবাসে করে দ্রুত এলাকা ত্যাগের চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া দিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

আটকের পর এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে তল্লাশি চালানো হলে তাঁদের কাছ থেকে মোট ৫৯৭ দশমিক ৩ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারগুলো ২২ ক্যারেট মানের বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে এসব স্বর্ণ দেশে আনা হয়েছিল। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক একটি স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের রিসিভার হিসেবে কাজ করছিলেন বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি) ধারায় একটি মামলা করা হয়েছে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিরা যাত্রীদের সহযোগিতায় সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্বর্ণ দেশে এনে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন। এ ঘটনায় চোরাচালান চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।

এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এপিবিএন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!