যুক্তরাষ্ট্র   সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার ১৯ মাঘ ১৪৩২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ছাপানো হচ্ছে ২৬ কোটি ব্যালট, ব্যয় ৪০ কোটি টাকা

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪১ PM

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ছাপানো হচ্ছে ২৬ কোটি ব্যালট, ব্যয় ৪০ কোটি টাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য মোট ২৬ কোটি ব্যালট পেপার ছাপানো হচ্ছে। দুই ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় দ্বিগুণ সংখ্যক ব্যালট পেপার ছাপাতে হচ্ছে। এ জন্য মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৪০ কোটি টাকা।

আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাজেট শাখা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানোর প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন ছিল। শেষ মুহূর্তে গণভোট অধ্যাদেশ জারি হওয়ায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে দুই ধরনের ব্যালট পেপার ছাপাতে হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত ব্যালট ছাপানো লাগলেও এর জন্য নতুন করে কাগজ কিনতে হয়নি।

ইসির বাজেট শাখা জানায়, সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন (ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ছাড়া) উপলক্ষে আগেই যে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করা হয়েছিল, তার একটি অংশ গণভোটের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য পরবর্তী সময়ে পুনরায় ব্যালট পেপার কেনা হবে।

গণভোটের প্রচার কার্যক্রমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে আলাদা বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পেয়েছে ৪৬ কোটি টাকা, তথ্য মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ধর্ম মন্ত্রণালয় ৭ কোটি টাকা, এলজিইডি ৭২ কোটি টাকা, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এরই মধ্যে চারটি মন্ত্রণালয় বরাদ্দ অর্থ পেয়েছে। বাকি দুটি মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর অর্থ পাবে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা গণভোট প্রচারে ৪ কোটি টাকা ব্যয় করছে।

ইসি সূত্রে জানা যায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা এবং নির্বাচন পরিচালনায় ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মোট নির্বাচনী ব্যয় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, প্রথমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত হলে অতিরিক্ত বাজেট চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আরও ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। বরাদ্দ অনুযায়ী কিস্তির অর্থ সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!