যুক্তরাষ্ট্র   সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার ১৯ মাঘ ১৪৩২

গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে যে ৫ বিষয় জানা জরুরি

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:১০ AM

গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে যে ৫ বিষয় জানা জরুরি

গর্ভধারণ একজন নারীর জন্য জীবন-বদলানো সিদ্ধান্ত। তবে এটি শুধু মায়ের দায়িত্ব নয়, বাবা হওয়ার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গর্ভধারণের আগে কিছু বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি, যা হবু মা ও বাবাকে সমর্থন এবং প্রস্তুতি দিতে সাহায্য করবে।

১. ডিম্বাশয়ের রিজার্ভ:
ডিম্বাশয়ে অবশিষ্ট ডিম্বাণুর সংখ্যা বা রিজার্ভ জানতে ডাক্তাররা AMH হরমোন পরীক্ষা ও আল্ট্রাসাউন্ডে অ্যান্ট্রাল ফলিকল গণনা করেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে AMH হ্রাস পায়, যা ৩০ এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে দ্রুত হয়। এটি দম্পতিদের আগে থেকেই সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

২. নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন:
প্রত্যেক মাসিক চক্রে ডিম্বস্ফোটন ঘটে। নিয়মিত মাসিক চক্রের নারী নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন করেন, তবে অনিয়মিত চক্রের ক্ষেত্রে হরমোনের ব্যাঘাত দেখা দেয়। গবেষণা অনুযায়ী ডিম্বস্ফোটনের সমস্যা প্রায় ২৫% বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে দায়ী।

৩. শুক্রাণুর স্বাস্থ্য:
গর্ভধারণে পুরুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বীর্য পরীক্ষা শুক্রাণুর সংখ্যা, গতিশীলতা ও আকৃতি যাচাই করে, যা নির্ধারণ করে তারা ডিম্বাণুতে পৌঁছে নিষিক্ত করতে সক্ষম কি না। গবেষণা অনুযায়ী বন্ধ্যাত্বের ৪০-৫০% ক্ষেত্রে পুরুষের কারণ থাকে।

৪. টিউব এবং জরায়ু:
সুস্থ ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন এবং ইমপ্লান্টেশনের জন্য ফ্যালোপিয়ান টিউব এবং জরায়ুতে কোনো বাধা থাকা চলবে না। ব্লকড টিউব, ফাইব্রয়েড, পলিপ বা জরায়ুর আকৃতির তারতম্য গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমাতে পারে।

৫. বয়স-সম্পর্কিত জেনেটিক ঝুঁকি:
বয়স কেবল উর্বরতা নয়, জেনেটিক গুণমানকেও প্রভাবিত করে। ডিম্বাণু এবং শুক্রাণুর বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে ক্রোমোজোম অস্বাভাবিকতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ৩৫ বছরের পরে আইভিএফ বা জেনেটিক পরীক্ষায় এই ঝুঁকির উচ্চ হার দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে সচেতন হওয়া গর্ভধারণের প্রস্তুতি ও সফলতার সম্ভাবনা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!