কলার পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্যের উপকারিতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এটি সহজলভ্য এবং পুষ্টিকর ফলের মধ্যে অন্যতম। একাধিক ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফল শক্তি বৃদ্ধি, হজমশক্তি উন্নয়ন এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক।
লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে অধিকাংশ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন দুটি কলা খাওয়া নিরাপদ এবং উপকারী। তবে পরিমিত খাবার খাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিরা সহজেই দিনে দুটি কলা খেয়ে শক্তি পূরণ করতে পারেন।
ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ডাক্তাররা কলার পরিমাণ সীমিত করার পরামর্শ দেন। কারণ এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে পারে এবং উচ্চ পটাসিয়াম কিডনির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
কলার উপকারিতার মধ্যে রয়েছে:
হজমশক্তি উন্নয়ন: ফাইবার এবং পেকটিন অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
শক্তি বৃদ্ধি: দ্রুত শক্তির উৎস হিসেবে কলা কার্যকর।
হৃদয় ও রক্তচাপের স্বাস্থ্য: পটাসিয়াম হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক।
সুখানুভূতি বৃদ্ধি: ভিটামিন বি৬ মস্তিষ্কে সেরোটোনিন ও ডোপামিন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কলা স্বাস্থ্যকর হলেও অতিরিক্ত খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে। সঠিক মাত্রায় কলা খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে উপকারী।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!