যুক্তরাষ্ট্র   রবিবার ৫ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার ২১ চৈত্র ১৪৩২

বড় পতনের মধ্যেও ডিএসইতে গড় লেনদেন বেড়েছে ২২ শতাংশ

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৭ AM

বড় পতনের মধ্যেও ডিএসইতে গড় লেনদেন বেড়েছে ২২ শতাংশ

গত সপ্তাহে (২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল) দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেলেও দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় ২২ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ২ শতাংশ কমে ৫ হাজার ২২০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বড় কোম্পানির শেয়ারে বেশি দরপতন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ ৩৯ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮০ পয়েন্টে এবং ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৭২টির দর বেড়েছে, ২০৬টির দর কমেছে এবং ১২টির দর অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেন হয়নি ২২টির। সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইসলামী ব্যাংক, আল-আরফাহ ইসলামী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের শেয়ার।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ৬৬৮ কোটি টাকা হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৫৪৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দৈনিক গড় লেনদেন ২১.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ঘাটতির কারণে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নেতিবাচক ছিল। সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসেই সূচক কমেছে। সাময়িকভাবে শেয়ার কেনার জন্য কিছু উত্থান হলেও তা স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারেনি।

খাতভিত্তিক লেনদেনে ওষুধ ও রসায়ন খাতের শেয়ার সর্বাধিক লেনদেনের ১৬.৬ শতাংশ দখল করেছে। প্রয়ৌশল খাতের শেয়ার ১২.৪%, বস্ত্র খাত ৯.৮%, ব্যাংক খাত ৯.৮% এবং সাধারণ বীমা খাত ৭.৩% লেনদেনে অবস্থান করেছে।

সর্বাধিক নেতিবাচক রিটার্ন হয়েছে ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে (৩.৯%), আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে (৩.৬%) এবং সিমেন্ট খাতে (৩.৩%)। অন্যদিকে তথ্যপ্রযুক্তি খাত ৩.২%, সাধারণ বীমা ১.২% এবং সেবা ও আবাসন খাত ১.১% ইতিবাচক রিটার্ন দেখিয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১.৪৩% কমে ১৪ হাজার ৭০১ পয়েন্টে এবং সিএসসিএক্স ১.৩১% কমে ৮ হাজার ৯৮৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে ১৮৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহে ৩৯ কোটি টাকা ছিল। মোট ৩০৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডে ১২৭টির দর বেড়েছে, ১৫২টির কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!