সংগৃহীত
আইকিউএয়ার সূচক ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা নগরবাসীর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এই মাত্রার বায়ুদূষণ সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর হলেও শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ ব্যক্তি এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য ঝুঁকি আরও বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত বায়ুর মান সূচক (AQI) নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি প্রধান উপাদানের ওপর ভিত্তি করে। এগুলো হলো— বস্তুকণা (PM2.5 ও PM10), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (CO), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO₂) এবং ওজোন (O₃)।
বায়ুদূষণে বছরে ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও)-এর তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। এটি বর্তমানে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কোন রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি?
বায়ুদূষণের ফলে প্রধানত যেসব রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
• স্ট্রোক
• হৃদরোগ
• ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি
• ডিজিজ (COPD)
• ফুসফুসের ক্যানসার
• শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন সংক্রমণ
চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন দূষিত বাতাসে বসবাস করলে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা ছাড়াও হৃদ্যন্ত্র ও মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রভাব পড়ে।
সতর্ক থাকার পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, বায়ুদূষণ বেশি থাকলে অপ্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং শিশু ও বয়স্কদের বাড়ির ভেতরে রাখাই নিরাপদ।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!