বাল্যবিবাহ রোধ করা না গেলে খেলার জগতে বাংলাদেশের মেয়েদের উত্তরণ ঘটবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় খেলোয়াড়, কোচ, ক্রীড়া সংগঠক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, ক্রীড়া শিক্ষক এবং অংশীজনদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। ব্যারিস্টার শুক্লা ঠাকুর গায়ের সাঁওতাল ও বর্মণ সম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতিশীল কিশোর-কিশোরীদের জাতীয় পর্যায়ের খেলায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় পর্বের রেজিস্ট্রেশন সহায়তা করায় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
একই সাথে তিনি প্রাইম মিনিস্টারস কাপের ব্যাপক প্রচার ও সাফল্যে সহায়তা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানান। মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। ."উল্লেখ্য রাঙ্গাটুঙ্গী ইউনাইটেড উইমেন্স ফুটবল ক্লাব থেকে এখন পর্যন্ত 20 জন খেলোয়াড় বাংলাদেশ জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলার সুযোগ পেয়েছে।
গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই ক্লাবটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি চিহ্নিত ধর্মান্ধ মহল মবের সৃষ্টি করে এবং মেয়েদের খেলাধুলা বন্ধ করে দেয়ার অপচেষ্টা চালায়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার হস্তক্ষেপে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নেতৃত্বে এই অপচেষ্টা প্রতিরোধ করা হয় এবং মেয়েরা আবারও ফুটবল খেলা শুরু করে। ক্লাবটির জন্য বিকল্প মাঠের ব্যবস্থা করার জন্য স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন সংসার সভানেত্রী। তিনি খেলোয়ারদের সাথে সময় কাটান তাদের জার্সি ও ফুটবল উপহার দেয়া হয়।
আরএস-রাসেল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!